ঢাকা, সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

একটি দল ধর্মের নামে ট্যাবলেট বিক্রি করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে: সালাহউদ্দিন

ads

ধর্মের নামে ট্যাবলেট বিক্রি করে প্রতারণা করছে একটি দল বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, তাদের জনগণ ইতোমধ্যে চিনেছে, তাদের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপির আয়োজিত ‘বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন।


সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ধর্ম ব্যবসায়ী যারা আছে, তাদের উদ্দেশে বলছি, তারা শুধু বলছে, এই মার্কায় ভোট দিলে ধরা জান্নাত। কিন্তু ইহকালে মানুষ কীভাবে চলবে, তার কোনো বক্তব্য নেই। যে দলের কোনো নীতি-আদর্শ নেই, কোনো পরিকল্পনা নেই, শুধু ধর্মের নামে ট্যাবলেট বিক্রি করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে। তাদের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে।


তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ‘মুখোশ গণতন্ত্র’ দেখিয়ে ভেতরে একদলীয় শাসন কায়েম করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, মুজিবকন্যা হাসিনা তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিলুপ্ত করে ১৪, ১৮ ও ২৪ সালের নির্বাচনকে অগণতান্ত্রিক শাসনের নজিরহীন উদাহরণে পরিণত করেছিলেন, যা পৃথিবীর ইতিহাসে জঘন্য একদলীয় ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা।


দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে কী করবে তা সহজ ভাষায় মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। আমরা জনগণের কাছে সমর্থন চাইছি। জনগণ আমাদের কাছ থেকে কী চায় সেটি পূরণ করার দায়িত্ব আমাদের।


তিনি বলেন, বিএনপি ধর্মের নামে প্রতারণা করতে চায় না বরং দেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি, কল্যাণ এবং সুস্পষ্ট উন্নয়ন পরিকল্পনার ওপর জোর দিয়েছে। বিএনপির ঐতিহাসিক ভূমিকা তুলে ধরে সালাহউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ মানেই বিএনপি, গণতন্ত্রের আরেক নাম বিএনপি।


বিদেশে অবস্থানরত লেখক-বিশ্লেষকদের সমালোচনা করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের বাস্তবতা না জেনে অনেকে এমনভাবে মন্তব্য করেন যেন তারাই জ্ঞানের আধার। তাদের নেই জবাবদিহি, নেই দায়িত্ববোধ, নেই দেশপ্রেম। সেজন্যই তারেক রহমানের স্লোগান, সবার আগে বাংলাদেশ।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গালিগালাজ, ব্যক্তি চরিত্র হনন ও রাজনৈতিক বিদ্বেষ ছড়ানোর প্রবণতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। এ বিষয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, সোশ্যাল মিডিয়াতে চলছে গালিগালাজ, চলছে চরিত্রহন। এখন পলিটিক্যাল ক্যারেক্টার অ্যাসাসিনেশনের সংখ্যা হচ্ছে তো সবচাইতে বেশি।

ads
ads
ads

Our Facebook Page